Wednesday, June 1, 2022

নিম্ন আদালতের আর্থিক এখতিয়ার...

 জেনে নিন...

আদালত

এখতিয়ার

জেলা জজ আদালত

কোন আইনে সরাসরি জেলা জজকে আদি এখতিয়ার দিয়ে থাকলে কেবল সেসব মোকদ্দমার শুনানি জেলা জজ আদালত করে থাকেন, নাহলে জেলা জজের কাছে শুধু আপীল শুনানিই হয়ে থাকে।

অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত

জেলা জজ আদালত যেসব মোকদ্দমা পাঠান, সেসব মোকদ্দমাই অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত শুনানি করে থাকেন।

যুগ্ম জেলা জজ আদালত২৫,০০,০০০/- টাকার উপরের যেকোনো মূল্য
সিনিয়র সহকারী জজ আদালত১৫,০০,০০০/- টাকার বেশী কিন্তু ২৫,০০,০০০/- (পঁচিশ লক্ষ) টাকা পর্যন্ত
সহকারী জজ আদালত১৫,০০,০০০/- (পনের লক্ষ) টাকা পর্যন্ত

 

কোন মোকদ্দমায় আদালতের রায়ে কোন পক্ষ সংক্ষুব্ধ হলে তিনি আপীল, রিভিউ, রিভিশন করতে পারেন। রিভিউ একই বা একই শ্রেণীর আদালতে দায়ের করতে হয়। আপীল, রিভিশন করতে হয় উচ্চতর আদালতে। নিম্নে দেওয়ানি আদালতের আপীল এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হল। সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের দেওয়া ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে জেলা জজের নিকট। যুগ্ম জেলা জজ আদালতের দেওয়া ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে জেলা জজের নিকট; তবে মোকদ্দমার মূল্যমান যদি ৫,০০,০০,০০০/- (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক হয় তাহলে আপীল করতে হবে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে। অর্থাৎ, মোকদ্দমার মূল্যমান যদি ৫,০০,০০,০০০/- (পাঁচ কোটি) টাকার সমান বা কম হয় তাহলে আপীল করতে হবে জেলা জজ আদালতে। তবে, জেলা জজ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে।

হাইকোর্ট বিভাগের কোন রায়ে কোন পক্ষ সংক্ষুব্ধ হলে সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগে আপীল দায়ের করা যায়

Friday, September 20, 2019

https://simple.m.wikipedia.org

আপীল প্রসঙ্গেঃঃ-

ফৌজদারী আপিলঃ
ফৌজদারী অপরাধেে দোষী সাব্যস্ত হলে শাস্তির তারতম্য অনুযায়ী আপিল দায়ের করতে হয়।এখন হাইকোর্টেে আপিল সম্পর্কে আলোচনা করব।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১০ ধারায় দায়রা আদালতের যেকোন দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হবে। 
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮(এ)ধারায় বলা হয়েছে-যুগ্মদায়রা জজ৫ বছরের বেশি দণ্ডাদেশ প্রদান করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগেে আপিল করতে হবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮(বি) ধারায় বলা হয়েছে-বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত মহানগর ম্যাজিষ্ট্রেট বা জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক পেনাল কোডের  ১২৪ এ ধারায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের  বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হ।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭(১) ধারায় বলা হয়েছে- সরকারের নির্দেশক্রমে  পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭(৩) বলা হয়েছে- নালিশীী মামলায় নালিশকারী খালাসের বিরুদ্বে খালাস আদেশের ৬০ দিনের মধ্যে আপীল দায়ের করতে পারবেন। 
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারায় বলা হয়েছে- আপীলকারী জেল হাজতে আটক থাকলে জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে তিনি আপীল দায়ের করতে পারবেন।এরূপ আপীলকে বলা হয় জেল আপীল।
>>বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৮ এর ৩০ ধারায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের তপশীল ভূক্ত অপরাধের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।যেমন- বিস্ফোরকদ্রব্য আইন বা অস্ত্র আইন।
>>নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের যেকোন আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারায় আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগেে।
লেখক
শিহাব উদ্দিন এডভোকেট
জজ কোর্ট,চট্টগ্রাম।
মোবাঃ০১৮১৫-৮০৫৩৪৯
                                                           
ফৌজদারী আপিলঃ
ফৌজদারী অপরাধেে দোষী সাব্যস্ত হলে শাস্তির তারতম্য অনুযায়ী আপিল দায়ের করতে হয়।এখন হাইকোর্টেে আপিল সম্পর্কে আলোচনা করব।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১০ ধারায় দায়রা আদালতের যেকোন দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হবে। 
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮(এ)ধারায় বলা হয়েছে-যুগ্মদায়রা জজ৫ বছরের বেশি দণ্ডাদেশ প্রদান করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগেে আপিল করতে হবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮(বি) ধারায় বলা হয়েছে-বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত মহানগর ম্যাজিষ্ট্রেট বা জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক পেনাল কোডের  ১২৪ এ ধারায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের  বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হ।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭(১) ধারায় বলা হয়েছে- সরকারের নির্দেশক্রমে  পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭(৩) বলা হয়েছে- নালিশীী মামলায় নালিশকারী খালাসের বিরুদ্বে খালাস আদেশের ৬০ দিনের মধ্যে আপীল দায়ের করতে পারবেন। 
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারায় বলা হয়েছে- আপীলকারী জেল হাজতে আটক থাকলে জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে তিনি আপীল দায়ের করতে পারবেন।এরূপ আপীলকে বলা হয় জেল আপীল।
>>বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৮ এর ৩০ ধারায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের তপশীল ভূক্ত অপরাধের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।যেমন- বিস্ফোরকদ্রব্য আইন বা অস্ত্র আইন।
>>নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের যেকোন আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারায় আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগেে।
লেখক
শিহাব উদ্দিন এডভোকেট
জজ কোর্ট,চট্টগ্রাম।
মোবাঃ০১৮১৫-৮০৫৩৪৯
                                                           

Saturday, September 14, 2019

আইন কি?
সংক্ষেপেঃ রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত তৎ জনগনের উপর বাধ্যকর  বিধি বিধানকে আইন বলে।সমাজে প্রচলিত কোন অলিখিত প্রথাও আইন হিসেবে গন্য করা হয়।


Friday, September 13, 2019