আমি আইন ও অধিকারের কথা বলি।আশা করি প্রত্যেক মানুষ অধিকার আদায়ের জন্যে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করে যাবেন।হিম্মত রাখবেন,হাল ছাড়বেন না।আমিও পাশে আছি।ইনশাআল্লাহ...
Friday, September 20, 2019
আপীল প্রসঙ্গেঃঃ-
ফৌজদারী আপিলঃ
ফৌজদারী অপরাধেে দোষী সাব্যস্ত হলে শাস্তির তারতম্য অনুযায়ী আপিল দায়ের করতে হয়।এখন হাইকোর্টেে আপিল সম্পর্কে আলোচনা করব।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১০ ধারায় দায়রা আদালতের যেকোন দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮(এ)ধারায় বলা হয়েছে-যুগ্মদায়রা জজ৫ বছরের বেশি দণ্ডাদেশ প্রদান করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগেে আপিল করতে হবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮(বি) ধারায় বলা হয়েছে-বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত মহানগর ম্যাজিষ্ট্রেট বা জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক পেনাল কোডের ১২৪ এ ধারায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হ।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭(১) ধারায় বলা হয়েছে- সরকারের নির্দেশক্রমে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭(৩) বলা হয়েছে- নালিশীী মামলায় নালিশকারী খালাসের বিরুদ্বে খালাস আদেশের ৬০ দিনের মধ্যে আপীল দায়ের করতে পারবেন।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারায় বলা হয়েছে- আপীলকারী জেল হাজতে আটক থাকলে জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে তিনি আপীল দায়ের করতে পারবেন।এরূপ আপীলকে বলা হয় জেল আপীল।
>>বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৮ এর ৩০ ধারায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের তপশীল ভূক্ত অপরাধের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।যেমন- বিস্ফোরকদ্রব্য আইন বা অস্ত্র আইন।
>>নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের যেকোন আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারায় আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগেে।
লেখক
শিহাব উদ্দিন এডভোকেট
জজ কোর্ট,চট্টগ্রাম।
মোবাঃ০১৮১৫-৮০৫৩৪৯
ফৌজদারী অপরাধেে দোষী সাব্যস্ত হলে শাস্তির তারতম্য অনুযায়ী আপিল দায়ের করতে হয়।এখন হাইকোর্টেে আপিল সম্পর্কে আলোচনা করব।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১০ ধারায় দায়রা আদালতের যেকোন দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮(এ)ধারায় বলা হয়েছে-যুগ্মদায়রা জজ৫ বছরের বেশি দণ্ডাদেশ প্রদান করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগেে আপিল করতে হবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮(বি) ধারায় বলা হয়েছে-বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত মহানগর ম্যাজিষ্ট্রেট বা জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক পেনাল কোডের ১২৪ এ ধারায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হ।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭(১) ধারায় বলা হয়েছে- সরকারের নির্দেশক্রমে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭(৩) বলা হয়েছে- নালিশীী মামলায় নালিশকারী খালাসের বিরুদ্বে খালাস আদেশের ৬০ দিনের মধ্যে আপীল দায়ের করতে পারবেন।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারায় বলা হয়েছে- আপীলকারী জেল হাজতে আটক থাকলে জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে তিনি আপীল দায়ের করতে পারবেন।এরূপ আপীলকে বলা হয় জেল আপীল।
>>বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৮ এর ৩০ ধারায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের তপশীল ভূক্ত অপরাধের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।যেমন- বিস্ফোরকদ্রব্য আইন বা অস্ত্র আইন।
>>নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের যেকোন আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারায় আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগেে।
লেখক
শিহাব উদ্দিন এডভোকেট
জজ কোর্ট,চট্টগ্রাম।
মোবাঃ০১৮১৫-৮০৫৩৪৯
ফৌজদারী আপিলঃ
ফৌজদারী অপরাধেে দোষী সাব্যস্ত হলে শাস্তির তারতম্য অনুযায়ী আপিল দায়ের করতে হয়।এখন হাইকোর্টেে আপিল সম্পর্কে আলোচনা করব।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১০ ধারায় দায়রা আদালতের যেকোন দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮(এ)ধারায় বলা হয়েছে-যুগ্মদায়রা জজ৫ বছরের বেশি দণ্ডাদেশ প্রদান করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগেে আপিল করতে হবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮(বি) ধারায় বলা হয়েছে-বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত মহানগর ম্যাজিষ্ট্রেট বা জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক পেনাল কোডের ১২৪ এ ধারায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হ।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭(১) ধারায় বলা হয়েছে- সরকারের নির্দেশক্রমে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭(৩) বলা হয়েছে- নালিশীী মামলায় নালিশকারী খালাসের বিরুদ্বে খালাস আদেশের ৬০ দিনের মধ্যে আপীল দায়ের করতে পারবেন।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারায় বলা হয়েছে- আপীলকারী জেল হাজতে আটক থাকলে জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে তিনি আপীল দায়ের করতে পারবেন।এরূপ আপীলকে বলা হয় জেল আপীল।
>>বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৮ এর ৩০ ধারায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের তপশীল ভূক্ত অপরাধের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।যেমন- বিস্ফোরকদ্রব্য আইন বা অস্ত্র আইন।
>>নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের যেকোন আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারায় আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগেে।
লেখক
শিহাব উদ্দিন এডভোকেট
জজ কোর্ট,চট্টগ্রাম।
মোবাঃ০১৮১৫-৮০৫৩৪৯
ফৌজদারী অপরাধেে দোষী সাব্যস্ত হলে শাস্তির তারতম্য অনুযায়ী আপিল দায়ের করতে হয়।এখন হাইকোর্টেে আপিল সম্পর্কে আলোচনা করব।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১০ ধারায় দায়রা আদালতের যেকোন দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮(এ)ধারায় বলা হয়েছে-যুগ্মদায়রা জজ৫ বছরের বেশি দণ্ডাদেশ প্রদান করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগেে আপিল করতে হবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮(বি) ধারায় বলা হয়েছে-বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত মহানগর ম্যাজিষ্ট্রেট বা জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক পেনাল কোডের ১২৪ এ ধারায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হ।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭(১) ধারায় বলা হয়েছে- সরকারের নির্দেশক্রমে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারবে।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭(৩) বলা হয়েছে- নালিশীী মামলায় নালিশকারী খালাসের বিরুদ্বে খালাস আদেশের ৬০ দিনের মধ্যে আপীল দায়ের করতে পারবেন।
>>ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারায় বলা হয়েছে- আপীলকারী জেল হাজতে আটক থাকলে জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে তিনি আপীল দায়ের করতে পারবেন।এরূপ আপীলকে বলা হয় জেল আপীল।
>>বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৮ এর ৩০ ধারায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের তপশীল ভূক্ত অপরাধের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।যেমন- বিস্ফোরকদ্রব্য আইন বা অস্ত্র আইন।
>>নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের যেকোন আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারায় আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগেে।
লেখক
শিহাব উদ্দিন এডভোকেট
জজ কোর্ট,চট্টগ্রাম।
মোবাঃ০১৮১৫-৮০৫৩৪৯
Saturday, September 14, 2019
Subscribe to:
Posts (Atom)